সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় আহত দুই বাংলাদেশি সজল চন্দ্র দাস ও আবদুর রহিমের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সৌদি আরবের দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় আহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত করেছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তাঁরা হলেন সজল চন্দ্র দাস ও মোহাম্মদ আবদুর রহিম। গরম ও ধোঁয়ার কারণে তাঁরা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন। বর্তমানে দুজনই দাম্মামের সৌদি–জার্মান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২১ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশি আহত হন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহত দুজনের শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন নেই। তাঁরা বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে।
আহত দুই বাংলাদেশির পরিচয়
আহত সজল চন্দ্র দাস কুমিল্লার বাঙ্গরাবাজার থানার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি অনুকূল চন্দ্র দাসের ছেলে। অন্যদিকে মোহাম্মদ আবদুর রহিম নোয়াখালীর সদর উপজেলার দিনমনিরহাট এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম সিরাজুল হক।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি হাসপাতালে গিয়ে আহত দুই বাংলাদেশির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
সৌদির বিমানবন্দরগুলোতে হামলার খবর
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়।
তবে এসব হামলায় হতাহত ব্যক্তির সংখ্যা, ঘটনার সময় এবং হামলার ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।
ইয়েমেন সংঘাতের প্রেক্ষাপট
ইয়েমেনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী এবং ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। এ সংঘাতে হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটও বিভিন্ন সময়ে সামরিক ভূমিকা রেখেছে।
তবে দাম্মামের বিমানবন্দরে হামলার সঙ্গে ইয়েমেন সংঘাতের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।





