সিলেটে গাড়ি আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ, ছাত্রদলের ৮ নেতাকে শোকজ

গোয়াইনঘাটের ফতেহপুরে পণ্যবাহী গাড়ি আটকে মালামাল লুট ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ইউনিয়ন ছাত্রদলের আট নেতাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দিয়েছে সিলেট জেলা ছাত্রদল।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুরে পণ্যবাহী গাড়ি আটকে মালামাল লুট ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ইউনিয়ন ছাত্রদলের আট নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। নোটিশে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহদপ্তর সম্পাদক জয়নাল আবেদীন রাহেলের স্বাক্ষরে এ নোটিশ জারি করা হয়।

শোকজ পাওয়া আট নেতা

নোটিশ পাওয়া নেতারা হলেন ফতেহপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নাজিম উদ্দীন, সিনিয়র সহসভাপতি জামাল উদ্দিন, সহসভাপতি বেলাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক তুফায়েল আহমেদ হেলু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রব্বানী, নাজমুল ইসলাম মান্না, শাহ রিয়াদ আহমেদ ও নাজমুল হাসান নাঈম।

অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের আঁধারে পণ্যবাহী গাড়ি আটকে মালামাল লুট ও চাঁদা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথোপকথন থাকার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। শোকজের সিদ্ধান্ত নিয়ে সেখানে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে।

অভিযোগ অস্বীকার ছাত্রদল নেতার

অভিযোগের বিষয়ে ফতেহপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তুফায়েল আহমেদ হেলু বলেন, গোয়াইনঘাটের হাতিরপাড়া–মানিগঞ্জ সড়কে রাতে চোরাচালানের মালামাল নিয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি চলাচল করায় সাধারণ মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ কারণে তাঁরা কয়েকজন মিলে গাড়ি আটকান বলে দাবি করেন তিনি।

তুফায়েল আহমেদের ভাষ্য, চোরাকারবারিরা ষড়যন্ত্র করে গোপনে ভিডিও ধারণ করেছে। তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে আনা চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেন।

অপরাধ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা

উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মুমিনুল হক বলেন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে অন্যায়কারীর কোনো স্থান নেই। কারও বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শোকজ নোটিশের জবাব ও অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।