অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ১০ বছর পর আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় স্থানে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়, দুই রেটিংয়ে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অসিরা
অস্ট্রেলিয়াকে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর পর আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজের শেষ টেস্টে ১৭৬ রানের বড় জয় তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে শীর্ষস্থান থেকে সরিয়ে দিয়েছে প্রোটিয়ারা। সর্বশেষ ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে ছিল দলটি।
রেটিংয়ে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা
সর্বশেষ হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়ে ১২৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১২২ রেটিং নিয়ে অস্ট্রেলিয়া নেমে গেছে দ্বিতীয় স্থানে। ২০২৪ সালের মে মাসে শীর্ষস্থান ফিরে পাওয়ার পর প্রায় আড়াই বছর ধরে শীর্ষে থাকা অস্ট্রেলিয়ার অবস্থানের পরিবর্তন হলো এই সিরিজ হারের কারণে।
সিরিজের শেষ টেস্টে জয় কিংবা ড্র করতে পারলেই শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারত অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু বড় ব্যবধানে হেরে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান হারিয়েছে দলটি।
আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম পাঁচ দল হলো—
- ১. দক্ষিণ আফ্রিকা: ১২৪ রেটিং
- ২. অস্ট্রেলিয়া: ১২২ রেটিং
- ৩. নিউজিল্যান্ড: ১০৬ রেটিং
- ৪. ভারত: ১০৫ রেটিং
- ৫. ইংল্যান্ড: ১০২ রেটিং
তালিকায় ৭৭ রেটিং নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলঙ্কা ৭৫, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৪, পাকিস্তান ৭১ এবং জিম্বাবুয়ে ১৭ রেটিং নিয়ে যথাক্রমে সপ্তম থেকে দশম স্থানে রয়েছে।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও পরিবর্তন
টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট টেবিলেও পরিবর্তন এসেছে।
৭২.২২ পয়েন্ট শতাংশ নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে নিউজিল্যান্ড। উদ্বোধনী আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি পয়েন্ট শতাংশের হিসাবে এগিয়ে রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ৭১.৪৩ পয়েন্ট শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া ১৩ ম্যাচে ৯ জয় ও ৪ হারে ৬৯.২৩ পয়েন্ট শতাংশ নিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে। ফলে টেস্ট সিরিজের ফল র্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রতিযোগিতাতেও নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এই সাফল্য দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। অন্যদিকে, শীর্ষস্থান হারানো অস্ট্রেলিয়ার সামনে এখন র্যাঙ্কিং ও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অবস্থান পুনরুদ্ধারের চ্যালেঞ্জ।





